ভ্রমণে বা ব্যবসার কাজে বিদেশে যাওয়ার সময় এক বা একাধিক মুদ্রা নিরাপদে ও সহজে সঙ্গে রাখার উপায় হলো ফরেক্স কার্ড। বিদেশে ঝামেলাহীনভাবে পেমেন্ট বা বিভিন্ন খরচ মেটানোর জন্য ফরেক্স কার্ড একটি সহজ ও নিরাপদ বিকল্প। বড় ব্যাংকগুলোর ইস্যু করা অন্যান্য প্রিপেইড কার্ডের মতোই এগুলো কাজ করে। অর্থাৎ, এতে নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদেশি মুদ্রা রাখা যায়, এটিএম থেকে নগদ তোলা যায়, খুচরা দোকানে বা অনলাইনে কেনাকাটা করা যায় ইত্যাদি।

আজ আমরা ফরেক্স কার্ডের কয়েকটি প্রধান ধরন এবং ছুটি কাটাতে বা ব্যবসার কাজে ভ্রমণের সময় সেগুলো ব্যবহারের সম্ভাব্য সুবিধা নিয়ে আলোচনা করব।
আগেই বলা হয়েছে, ফরেক্স কার্ড প্রায় প্রচলিত প্রিপেইড বা ডেবিট কার্ডের মতোই কাজ করে। বিদেশে ব্যবহারের জন্য এতে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদেশি মুদ্রালোড করেন। এই কার্ড দিয়ে নগদ টাকা তুলতে পারবেন, অথবা দোকানে কিংবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে পেমেন্ট করতে পারবেন।



ফরেক্স কার্ড ও ডেবিট কার্ডের মূল পার্থক্য হলো, ফরেক্স কার্ডে আপনি একই সঙ্গে একাধিক বিদেশি মুদ্রা রাখতে পারেন। তাই ফরেক্স কার্ডকে প্রধানত দুই ধরনের বলা যায়:
ব্যবসার কাজে বা ছুটি কাটাতে প্রায়ই ভ্রমণ করলে এটি আপনার খুব কাজে আসতে পারে। যারা অনেক ভ্রমণ করেন, তারা এর বেশ কিছু সাধারণ সুবিধা উপভোগ করবেন, যেমন:
বড় কার্ড ইস্যুকারীদের ফরেক্স কার্ড বিশ্বজুড়ে গ্রহণ করা হয়। এর মানে, যেকোনো দেশে থাকাকালীন কার্ডটি ব্যবহার করতে আপনার কোনো সমস্যা হবে না। শুধু নিশ্চিত হয়ে নিন, প্রয়োজনীয় মুদ্রা আগে থেকেই কার্ডে লোড করা আছে।
ফরেক্স কার্ড ব্যবহারে বিশেষ কিছু নেই। এগুলো অন্য যেকোনো ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ডের মতোই কাজ করে। ATM থেকে নগদ টাকা তুলতে কার্ডটি ঢোকান, PIN দিন এবং কত টাকা তুলতে চান তা উল্লেখ করুন। কোনো পণ্যের দাম দিতে হলে POS ডিভাইসে কার্ডটি সোয়াইপ করুন। কার্ডটি মোবাইল সার্ভিসের সঙ্গে যুক্ত করে রাখতে পারেন, যাতে প্রতিবার কেনাকাটা সম্পন্ন হওয়ার পর ব্যালেন্সে কত টাকা আছে তা জানতে পারেন।
এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।