লগ আউট
Are you sure you want to exist?

ট্রেডার কে – “ট্রেডার” শব্দটির অর্থ বোঝা

ট্রেডার কে এবং আর্থিক বাজারে কাজ করার প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো কী? আজ আমরা ‘ট্রেডার’ শব্দটির অর্থ, এর বিভিন্ন ধরন ও বৈচিত্র্য এবং ট্রেডিং কৌশলের ধরনগুলো আরও বিস্তারিতভাবে দেখব।

None

ট্রেডার হতে পারেন এমন একজন ব্যক্তি, যিনি নিজের হয়ে ট্রেড করেন। আবার কোনো প্রতিষ্ঠানের হয়ে আর্থিক বাজারে কাজ করা কর্মচারীও ট্রেডার হতে পারেন। তাঁর মূল কাজ হলো লাভের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন সম্পদ কেনা-বেচা করা। পছন্দের কৌশল ও ট্রেডিংয়ের ধরন অনুযায়ী ট্রেডারদের কয়েকটি ধরন রয়েছে।

ট্রেডার কাকে বলে

আগেই উল্লেখ করেছি, ট্রেডার প্রধানত দুই ধরনের:

  1. প্রথম ধরনের ট্রেডার কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। তিনি কেনা-বেচা বা বিভিন্ন ইনস্ট্রুমেন্টে ট্রেড করার জন্য প্রতিষ্ঠানের তহবিল ও সম্পদ ব্যবহার করেন। লাভ হলে বেতনের অংশ হিসেবে তিনি বোনাস ও কমিশন পান।
  2. দ্বিতীয় ধরনের ট্রেডার নিজের জন্য কাজ করেন। তিনি সম্পদ কেনার জন্য নিজের অর্থ ব্যবহার করেন এবং সফল হলে অনলাইন ব্রোকারের নির্ধারিত ফি বাদে, অন্য কারও সঙ্গে ভাগ না করে পুরো লাভ নিজেই রাখেন।

অনলাইন ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম ও সফটওয়্যারের উন্নতির ফলে, নিজে ট্রেড করা একটি ভালো বিকল্প হতে পারে। কারণ, এখন প্রতিযোগিতামূলক ব্রোকারেজের বিকল্প বাড়ছে, যেখানে বিভিন্ন বোনাস, পরামর্শ ও বাজার-সংক্রান্ত বিশ্লেষণ, টেকনিক্যাল অ্যানালিসিস এবং অন্যান্য টুল পাওয়া যায়। এসবের সাহায্যে বিশেষ দক্ষতা বা আর্থিক অভিজ্ঞতা ছাড়াই বাজারে প্রবেশ করা সম্ভব। তবে মৌলিক বিষয়গুলো শেখা জরুরি, পাশাপাশি সঠিক ট্রেডিং শিক্ষা নেওয়াও গুরুত্বপূর্ণ।

ইন্ডাস্ট্রির সেরা ট্রেডিং শর্ত
ডিপোজিট বোনাস
সর্বোচ্চ 200% ডিপোজিট বোনাস 
সর্বোচ্চ 200%
স্প্রেড
0 পিপ থেকে স্প্রেড 
0 পিপ থেকে
পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম পুরস্কারপ্রাপ্ত কপি
ট্রেডিং প্ল্যাটফর্ম
এখনই যোগ দিন

ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান বনাম অনলাইন প্ল্যাটফর্ম

সিগন্যাল, টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটর ও প্রাইস চার্ট নিয়ে বিস্তারিত জানার আগে আপনাকে ঠিক করতে হবে কোন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করবেন। কম কমিশন চান এমন ট্রেডাররা ডিসকাউন্ট ব্রোকারেজ প্রতিষ্ঠান বেছে নিতে পারেন। তবে এগুলোতে প্রায়ই রিসোর্সের সুযোগ সীমিত থাকে। ট্রেডাররা হয়তো কোনো আর্থিক পরামর্শই পান না, অথবা খুব সামান্য পান। অর্থাৎ, আপনাকে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন পেশাদার হতে হবে। তা না হলে, এটি আপনার জন্য কাজ নাও করতে পারে।

অনলাইন ব্রোকারগুলো আরও নমনীয় সমাধান দেয়। এগুলোতে উন্নত টুলের পাশাপাশি মার্জিন অ্যাকাউন্ট, কম বা শূন্য স্প্রেড, বিভিন্ন আর্থিক টুল ব্যবহারের সুযোগ এবং শিক্ষামূলক রিসোর্স রয়েছে। এ ছাড়া, আপনি বিভিন্ন আর্থিক ইন্সট্রুমেন্টে আরও বেশি সুযোগ পাবেন। কম কমিশনে শুধু প্রধান মুদ্রা ও ইনডেক্স নয়, কমোডিটি, স্টক, CFD এবং আরও অনেক কিছুতে ট্রেড করতে পারবেন।

ট্রেডারদের প্রধান ধরনগুলো কী?

ট্রেডারের ধরন নির্ভর করে তিনি কোন কৌশল বেছে নেন তার ওপর। এটি ট্রেডিংয়ের কৌশল, সময়সীমা, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার বিকল্প এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ট্রেডিং প্যারামিটারকেও প্রভাবিত করে। ট্রেডারদের সবচেয়ে পরিচিত ধরনগুলো হলো:

  • স্ক্যালপার – মাইক্রো-ট্রেডার নামেও পরিচিত। এরা অল্প সময়ের মধ্যে একাধিক ট্রেড করেন।
  • মোমেন্টাম ট্রেডার – এরা একই দিকে উল্লেখযোগ্যভাবে এগোচ্ছে এমন স্টক পর্যবেক্ষণ করেন এবং সেগুলোতে ট্রেড করেন।
  • টেকনিক্যাল ট্রেডার – এরা মূলত বিভিন্ন প্রাইস চার্ট, ইন্ডিকেটর ও অন্যান্য সিগন্যালের মাধ্যমে টেকনিক্যাল অ্যানালিসিস করেন। এতে তারা বাজার সম্পর্কে আরও বিস্তৃত ধারণা পান এবং বাজারে প্রবেশ ও বেরিয়ে আসার উপযুক্ত অবস্থান খুঁজে নিতে পারেন।
  • ফান্ডামেন্টাল ট্রেডার – ট্রেডিংয়ে ফান্ডামেন্টাল বিষয়গুলো ব্যবহার করার অর্থ হলো ফান্ডামেন্টাল অ্যানালিসিসের অংশ হিসেবে আয়ের প্রতিবেদন, কর্পোরেট ইভেন্ট এবং অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা।
  • সুইং ট্রেডার – স্ক্যালপারদের মতো নয়, এরা কোনো ট্রেন্ড থেকে লাভের সুযোগ নিতে তুলনামূলক দীর্ঘ সময় পজিশন ধরে রাখতে পছন্দ করেন।

প্রতিটি ধরনের ট্রেডিংয়েরই কিছু নির্দিষ্ট সুবিধা ও অসুবিধা আছে। স্ক্যালপাররা বেশি ঝুঁকি নেন, আর দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ তুলনামূলক নিরাপদ হলেও এতে উল্লেখযোগ্য মুনাফার সম্ভাবনা কম।

সারসংক্ষেপ

আজ, অভিজ্ঞতা বা আর্থিক শিক্ষা যে পর্যায়েরই হোক, সবাই ট্রেডিংয়ে অংশ নিতে পারেন। এর জন্য বিশেষ কোনো দক্ষতার দরকার নেই। যে কেউ একটি অ্যাকাউন্ট খুলে, কোনো অ্যাসেট বেছে নিয়ে, বাই বা সেল পজিশনের মাধ্যমে মার্কেটে প্রবেশ করতে পারেন। তবে আর্থিক জ্ঞান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভালোভাবে শেখা থাকলে মার্কেট বা দামের ওঠানামা এবং নির্দিষ্ট ট্রেডিং ইন্সট্রুমেন্ট কীভাবে ব্যবহার করতে হয়, তা আপনি আরও ভালোভাবে বুঝতে পারবেন।

এই উপকরণে বিনিয়োগসংক্রান্ত পরামর্শ, বিনিয়োগের সুপারিশ, আর্থিক উপকরণে কোনো লেনদেনের প্রস্তাব বা আহ্বান নেই এবং এটিকে এমন কিছু আছে বলে ব্যাখ্যা করা উচিত নয়। কোনো বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, ঝুঁকিগুলো বুঝতে পারছেন কি না তা নিশ্চিত করতে স্বাধীন আর্থিক উপদেষ্টার পরামর্শ নিন।