
HSBC-এর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিনিয়োগকারীদের ইউরোপীয় শেয়ার এড়িয়ে চলা উচিত। ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযানের কারণে সৃষ্ট ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও খাদ্য সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এদিকে, গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল ও পণ্যের দাম দ্রুত বাড়ছে।
বড় কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোর সামনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া এবং আরও সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি প্রয়োগ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। ইউরোপের প্রধান দেশগুলোর সরকারগুলো মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আনার উপায় খুঁজতে জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার কম দামে লেনদেন হচ্ছে। এসব সম্পদের মূল্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আর্থিক মৌলিক অবস্থার তুলনায় কম। এই কারণে কম দামে ভালো শেয়ার খুঁজছেন—এমন বিনিয়োগকারীর সংখ্যা বাড়ছে।



তবে পরিস্থিতিটি বেশ বিভ্রান্তিকর। যে সুযোগকে ভালো বিনিয়োগের সম্ভাবনা মনে হচ্ছে, তা শেষ পর্যন্ত আর্থিক দুর্ভোগে পরিণত হতে পারে। দীর্ঘমেয়াদে ভালো রিটার্ন পাওয়া বা ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগও নাও থাকতে পারে। HSBC-এর বিশেষজ্ঞরা সুদের হার বাড়া এবং কম মূল্যায়নের কারণে ট্রেডারদের ইউরোপীয় শেয়ার এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন।
কম দামের সম্পদের পেছনে ছুটতে গিয়ে ইউরোপীয় সম্পদে বিনিয়োগ না করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। শীতকালে শুরু হতে পারে—এমন একটি জ্বালানি সংকটের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। এর ফলে ঝুঁকি-রিটার্ন অনুপাত বিনিয়োগকারীদের অনুকূলে নেই।
এই পরিস্থিতিতে, সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও আস্থাযোগ্য শেয়ার ধরে রাখাই ভালো। অথবা দীর্ঘমেয়াদে ভালো রিটার্ন দিতে পারে—এমন অন্য সম্পদ বেছে নিতে পারেন, যেমন সোনা।